Saturday, October 28, 2023

সব কি চান?

আমাদের খালামণিরা কি এসব আদৌ কোনদিন বুঝে?

যদি সিক্স ডিজিট স্যালারির কোনো সফল পুরুষকে বিয়ে করেন তাহলে শুধু এই প্রাপ্তির জন্যই আপনাকে অনেক কিছু ত্যাগ করতে হবে। প্রথম ত্যাগ করতে হবে আপনার প্রিয় কিছু স্বপ্নকে।

লাখ টাকা বেতন প্রাপ্ত সফল মানুষটাকে ছাত্রাবস্থায় প্রচুর পড়তে হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা টেবিলে বসে থাকতে হয়েছে। মাসের পর মাস রাত জাগতে হয়েছে। ফলে তার চোখের নিচে থাকবে স্থায়ী কালশিটা, চোখে থাকবে মোটা ফ্রেমের চশমা। মাথার অর্ধেক হবে টাক এবং দেখার মতো একটা ভুঁড়ি থাকবেই থাকবে।

আপনি একই সঙ্গে স্পাইক চুল, সিক্স প্যাক ফিগার, স্টাইলিশ সানগ্লাস আর ডানাকাটা চোখের অধিকারী কোনো সিক্স ডিজিট আর্নড পারসন পাবেন না।
সে ছাত্র জীবনে থিয়েটার, মুভি, স্পোর্টস, ফ্যাশন ও ট্রেন্ডের চেয়ে বেশি সময় দিয়েছে লাইব্রেরি, স্টাডি আর রিসার্চের পেছনে। ফলে টোয়ালাইট মুভির নায়কের নাম জিজ্ঞেস করলে সে হা হয়ে থাকবে। রাফায়েল নাদালের গার্লফ্রেন্ড সংখ্যা তার অজানা। রোল্যাক্স, টাইটানের বাইরে রিস্টওয়াচের ব্রান্ডের নাম সে বলতে পারবে না। ফলে আপনার তাকে ব্যাকডেটেড মনে হবে।

সিক্স ডিজিট আর্নড পুরুষ দারুণ সচেতন হবে। সে কবির সিংয়ের মতো বাইক চালানোর সময় কিংবা গাড়ি চালানোর সময় তিন মিনিটের চুমুর আনন্দের চেয়ে তিন যুগ বেঁচে থাকার আনন্দকে প্রাধান্য দেবে। ফলে আপনার মনে হতে পারে, দুনিয়ার আনরোম্যানটিক মানুষকে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন। আপনি ভুল মানুষের সাথে আছেন।

তার অবশ্যই সকালে অফিস থাকবে। ফলে বৃষ্টি দেখে ছাদে চলে যাওয়া কিংবা ব্যালকনিতে বসে পূর্ণিমা উদযাপনের চেয়ে রাতে নিত্যদিনের কাজটা সেরে ফ্রেশ একটা ঘুম দিয়ে রিল্যাক্স মুডে অফিসে যাওয়াটা জরুরি মনে হবে। ফলে আপনার মনে হবে আপনি শুধুই ভোগের বস্তু। উপভোগ বলে কিছু নেই আপনার জীবনে।

লাঞ্চ টাইমে তার মিটিং থাকবে। মিটিং হবে জুনিয়র কিংবা সিনিয়র কলিগদের সাথে। যাদের সামনে তাকে পারসোনালিটি বজায় রাখতে হয়। ফলে দুপুরে ফোন দিয়ে ‘কী খেয়েছো’ জিজ্ঞেস করলে সে চেয়ারে হেলান দিয়ে আহ্লাদে গদগদ হয়ে বলবে না, কচুর লতি দিয়ে চিংড়ি মাছ খেয়েছি। সে ডানে বামে তাকিয়ে বলবে- রাখো, পরে কথা বলছি। মিটিং শেষে তাকে এমন সব কাজ করতে হবে যে বেশিরভাগ দিন পরে আর কথা বলা হয়ে উঠবে না।

সিক্স ডিজিট স্যালারির পারসনকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সারাদিন এক গাদা স্টাফকে পরিচালনা করতে হয়। কিংবা পরিচালিত হতে হয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্বারা। ফলে বাসায় ফিরবে সে মেজাজ খারাপ নিয়ে। এমন সময়ে তুমি যদি মুনমুন মুখার্জির মতো দুনিয়ার আবেগ তাহেরির মতো ঢেলে দিয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতা ‘ভালোবাসি ভালোবাসি’ আবৃত্তি শুরু করো, সে গলায় সেক্স অ্যাপিল এনে বলতে পারবে না ‘ভালোবাসি তোওওও ভালোবাসিইইই’। সে একটু বিরক্তই হবে।

 আপনি একইসাথে গ্রামের নির্মল বায়ু আর শহরের সুযোগসুবিধা পাবেন না। আপনাকে যে কোনো একটা বেছে নিতে হবে। হয় অর্থ-বিত্ত নয়তো স্বস্তির জীবন। হয় ভোগ নয়তো উপভোগ। আপনি যেটাকে প্রাধান্য দেবে সেটা নিয়ে সুখে থাকেন। অন্যটা দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে যাবেন না। তাহলে দেখবেন জীবনে মরীচিকা ছাড়া আর কোনো অর্জন নেই।

অতএব,  
ইমোশনালি প্র‍্যাক্টিক্যাল হবেন না, প্র‍্যাক্টিক্যালি ইমোশনাল হোন।
courtesy : Umor Faruk Tuhen

Thursday, October 19, 2023

Toshiba e-STUDIO 2829A Photocopier & Scanner Driver windows 10 11 64 bit

Toshiba e-STUDIO 2829A Photocopier & Scanner Driver windows 10 11 64 bit

 

 

Toshiba Photocopier & Scanner Driver

Top of Form

  • Brand: Toshiba
  • Model: e.Studio 2829A
  • Type: Printer & Scanner Driver
  • Model Support: e.Studio 2829A

Bottom of Form

e-STUDIO2829A

  • Benefit from this highly reliable and robust monochrome A3 system with a speed of 28 pages per minute.
  • Based on sophisticated technology the e-STUDIO2829A easily integrates into networks, supports mobile printing and is intuitive to use.
  • Designed to meet the highest environmental standards, this model helps save valuable resources.

Specifications: e-STUDIO2829A

GENERAL

Print & Copy Speed:

A4: 23 ppm
A3: 14 ppm

Warm-Up Time:

~ 15 seconds

Paper Size & Weight:

Cassette: A5R-A3, 64-80 g/m²
Bypass: A5R-A3, 52-216 g/m²

Paper Capacity:

Cassette: 1x 250 sheets, Bypass: 1x 100 sheets
Max. 1,700 sheets

Inner Output Tray:

100-sheet capacity

Automatic Duplex:

A5R-A3, 64-80 g/m²

Memory:

512 MB RAM

Interface:

10Base-T/100Base-TX (incl. IPv6), High Speed USB 2.0, WLAN* (IEEE 802.11b/g/n)

Dimensions & Weight:

575 x 540 x 402 mm (W x D xH), ~ 25.5 kg

Initial Consumables:

Toner, Drum, Developer

 

 

PRINT

Resolution:

Max. 2,400 x 600 dpi with smoothing

Page Description Language:

PCL 5e & 6 and PostScript 3* compatible

Supported Systems:

Windows 10/8.1/7/Server 2008 SP2 (32/64 bit), Windows Server 2016/Server 2012/Server 2008 R2 SP1 (64 bit), Mac OS 10.11-10.14, Unix/Linux

Print Functions:

Universal Printer Driver, Print from USB, Multiple pages per sheet, Toner save mode

 

SCAN

Resolution:

Max. 600 x 600 dpi

Scan Speed:

Monochrome/Colour: 25/18 ipm (300 dpi)

Scan Modes:

Colour, Greyscale, Monochrome

File Formats:

JPEG, Multi/Single Page TIFF/PDF (via e-STUDIO Scan Editor)

Scan Functions:

Scan templates, Scan to USB, Scan to E-Mail, TWAIN, Scan to Mobile

 

COPY

Resolution:

Scan: 600 x 600 dpi
Print: 2,400 x 600 dpi with smoothing

First Print Output Time:

~ 6.4 seconds

Zoom:

Platen: 25-400%, RADF*: 25-400%

Copy Modes:

Text, Text/Photo, Photo, Background erase

Copy Functions:

Copy templates, Electronic Sort, ID Card Copy, Edge Erase, 2-in-1/4-in-1 mode, Auto sort**

 

 

FAX*

Communication:

Super G3, G3

Transmission Speed:

~ 3 seconds per page

Compression:

JBIG, MMR, MR, MH

Fax Memory:

6 MB Transmission/Reception

Network Fax:

Driver Windows 10/8.1/7 SP1/Server 2008 SP2 (32/64 bit), Windows Server 2016/Server 2012/Server 2008 R2 SP1 (64 bit)

Fax Functions:

One-touch dialing (5 keys), Group dialing

 

SYSTEM & SECURITY

Device Management:

TopAccess for remote administration and configuration

System Features:

Internal toner recycling, Energy-saving modes

Accounting & Security:

100 department codes, IP and MAC address filter, SSL support

 

 

*:

Productivity and paper specifications are related to a paper size of A4 and a paper weight of 80 g/m² if not otherwise mentioned.

**:

Requires RADF

 

 

Accessories

Hardware

  • GQ-1131 - Harness Kit for Coin Controller
  • MR-3032 - Reversing Automatic Document Feeder
  • GN-1160 - Wireless LAN Module
  • KA-2507PC - Platen Cover
  • MH-2507 - Desk
  • MY-1043-B - Paper Feed Unit

 

 

Link:

https://t.me/sazzadtg/123

 

Tuesday, October 17, 2023

বৈবাহিক চুক্তি


অন্যান্য চুক্তির মত নিকাহনামাও একটা চুক্তি। আপনি যেমন না পড়ে কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না, তেমন‌ই আপনার উচিত আপনার নিকাহনামার ফর্ম নিজে পূরণ করা । ফর্ম পূরণের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষ্য রাখবেন:

(১) এই ফর্মে ১৩ নং ঘর মোহরের পরিমাণ লেখার জন্য। একজন দায়িত্বশীল পুরুষ বিয়ের আগেই নেগোশিয়েট করে মোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করে, অন্যদিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন পুরুষের উপর বিয়ের আসরে একটা পরিমাণের মোহর চাপিয়ে দেওয়া হয় ।

(২) ১৪ নম্বর ঘরে লিখতে হবে মোহরের কত অংশ মুয়াজ্জল ও কত অংশ মুঅজ্জল। মুয়াজ্জল হলো সেই অংশ যা যত দ্রুত সম্ভব পরিষোধ করতে হবে, পরিশোধ করতে দেরী হলে শাস্তি হতে পারে। অন্যদিকে মুয়াজ্জল হলো যা দেরিতে পরিশোধ করলে কোনো সমস্যা নেই। এই বিষয়গুলো পূর্বেই নেগোশিয়েট করে ঠিক করতে হয়।

(৩) ১৮ নম্বর ঘরে স্বামী স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করেছে কিনা সেই বিষয়ে লিখতে হয়। এই বিষয়টা আমার কাছে খুবই সন্দেহজন মনে হয়। ইসলামী শরীয়তে শুধুমাত্র পুরুষ তার স্ত্রীকে তালাক দিতে পারেন, এর একটা কারণ হলো মোহর পুরুষ ব্যাক্তি দিয়ে থাকেন। স্ত্রী চাইলে কোর্টের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন অথবা খুলা করতে পারেন, কিন্তু স্ত্রী চাইলেই খুশিমত তালাক দিতে পারেন না। এখন বাংলাদেশে যে আইনের মারপ্যাচ দিয়ে শরীয়তের একটা নর্মকে পাল্টে ফেলা হচ্ছে এটা আদৌ হালাল কিনা প্রশ্ন থেকে যায়। 

যেমন ধরুন একজন পুরুষ চাইলে একাধিক স্ত্রী রাখতে পারেন, কিন্তু একজন নারী চাইলে একাধিক স্বামী গ্রহণ করতে পারেন না। কিন্তু ধরুন নিকাহনামায় স্বামী তার স্ত্রী কে একাধিক স্বামী গ্রহণের অধিকার দিলো, সেটা কি ভ্যালিড হবে?!!

শুধু তাই না এই ঘরটা একটা পুরুষ ব্যাক্তি পূরণ করার আগেই কাজিসাহেব হ্যা লিখে রেখে দেয়! মানে বিয়ে করবেন আপনি, আর আপনার ব‌উ আপনাকে তালাক দিবে কি দিবে না, সেটা কাজিসাহেব ঠিক করে দেবেন!!

(৪) ১৯ নম্বর ঘরে "স্বামীর তালাক প্রদানের অধিকার খর্ব হয়েছে কিনা", এইটাও অনেক সিগনিফিক্যান্ট। ইসলামী শরীয়তে সব পুরুষ তালাক দেওয়ার অধিকার রাখে, সেটা কীভাবে খর্ব হয় সেটা একটা প্রশ্ন, আবার আপনার হয়ে কাজিসাহেব এই ঘরটা পূরণ করলে আপনার কী হবে সেটাও আরেকটা প্রশ্ন।

সবাইকে ধন্যবাদ এতদূর পড়ার জন্য, শুভকামনা রইল

Monday, October 9, 2023

দুনিয়ার সব পুয়েষ খারাপ

একটা ফার্মেসিতে গেলাম ওষুধ কিনতে। দোকানে আরো কয়েকজন ক্রেতাও আছে। একজন ভদ্রমহিলা এবং বাকি দুইজন ভদ্রলোক। 

ভদ্রমহিলার অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ দরকার। কিন্তু ওষুধ বিক্রেতা ভদ্রলোক দেখলেন যে প্রেসক্রিপশন পুরনো। তখন ভদ্রমহিলা নিশ্চিত করলেন যে একই ডাক্তারকে আবার দেখাইছেন। এই যে এত তারিখের প্রেসক্রিপশন। তখন ওষুধ বিক্রেতা বললেন যে তাও তো ৮-১০ দিন পার হয়ে গেছে। আপনাকে ওষুধই দিছে ১০ দিনের জন্য। আর আমার কাছে এই ওষুধ হবে না।

ভদ্রলোক এবং ভদ্রমহিলার আলাপ দেখে আমার মনে হলো, ওষুধ আছে ঠিকই, কিন্তু ভদ্রলোক ইচ্ছা করেই বিক্রি করে নাই। তাই জিগাইলাম, সন্দেহ করে ওষুধ দেন নাই যে? 

তখন ওষুধ বিক্রেতা আলাপের ঝাঁপি খুলে বসলেন, আরে ভাই, আর বইলেন না, এদেরকে নিয়ে আরেক ঝামেলা। দুনিয়ার সব এংজাইটি, ডিপ্রেশন কি শুধু মেয়েদের? বাচ্চাবাচ্চা মেয়েগুলার জীবনে এত এংজাইটি, এত ডিপ্রেশন কীসের? তাদের রাতে ঘুম আসবে না কেন? এসব সমস্যা নিয়ে ১০০টা মেয়ে যদি আসে, ছেলে আসে ১টা। ক্যান? আপনার জীবনে কি প্যারা নাই? আপনি ক্যাম্নে সেই প্যারা হজম করেন? তারা হজম করতে পারে না? এদের বেশিরভাগের তো ইনকামের প্যারাও নাই। মাসে মাসে ফ্যামিলি থেকে টাকা আসতেছে। আর এখানে ফ্যামিলির অগোচরে বিন্দাস লাইফ লিড করতেছে। এদের একটাই প্যারা, রিলেশনশিপের ঝামেলা।

তখন পাশে থাকা দুই ওষুধ ক্রেতা ভদ্রলোক বলে উঠলেন, আপনার কি মনে হয় ছেলেরা এদেরকে খুব প্যারা দেয় বলে এদের ওষুধ খাইতে হয়? এরা ছেলেদেরকে প্যারা দেয়, নিজেরাও প্যারা খায়।

তখন ওষুধ বিক্রেতা ভাই বলে উঠলেন, বেশিরভাগই এসব ওষুধ খায় ব্ল্যাকমেইল করার জন্য। হাবিজাবি বলে ডাক্তারদের কাছ থেকেও লিখায়ে নিয়ে আসে।

আমি কিছু না বলে নিজের প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে চুপচাপ কেটে পড়লাম আর মনে মনে ভাবলাম, দেশটা ক্যামন মিসজিনিস্টে ভরে গ্যাছে!

টুকরো দিনলিপি | ০৮ অক্টোবর ২০২৩

কার্টেসিঃ বিশিষ্ট মিসোজাইনিস্ট, ছোট বাংলার ভাবুক ছোটভাই- Sourav Abdullah

খাঁটি কথা 

Wednesday, October 4, 2023

Parenting tips 002

A few tips for parenting teenagers:   

1. Treat them like young adults and they will grow up faster

2. Slowly, increase the level of responsibility and independence that they have. Give them more tasks and responsibilities, and as they grow competent, increase it. This will ease them into adulthood.

3. Your role needs to become more like a mentor to them. Have open communication with them and allow them to ask deep questions and challenge your ideals. They need these conservations to reach Yaqeen in their faith.

. Do not expect perfection from them. When they split up, guide them back to the paths of repentance and righteousness. They are still learning how to deal with nafs and shaytaan and will make mistakes along the way, just like you.

5. Include them in family discussions on important matters, so they gain experience in the ups and downs of being an adult. These discussions will prepare them for the challenges of the adult world.

6. Allow them space to explore their own ideas and plans (within the boundaries of halal) and give them space to make mistakes and learn from their mistakes. For example, if your teen has a bad business idea, let him start his business and learn from the experience.

7. Have a strong Islamic Studies curriculum for them to study that is age-suitable. Focus on things like morality, chastity, modesty, responsibility, and purification of the soul. These aspects of Islamic Studies are essential at that age.

8. Finally, never stop making dua for them. Do not give up hope in Allah's Mercy and pray for your children's guidance every day.

- Ismail Kamdar

Parenting tips

Several years ago when my kids were younger, I used to play this silly game with them as I fed them breakfast. 

We called it لعبة الحيوانات, the Animals Game. Each one of us would pick an animal and we'd pretend to be that animal, and then we would have verbal "battles" as said animals. Each child would pick his favorite animal (shark, arctic wolf, owl, tiger, lion, grizzly bear) and I would almost always pick my "favorite" animal, the lynx (I'd always deliberately mispronounce its name and it made them laugh). 

We had teams, me and the baby (Khalid at the time, when he was 2 or 3 years old), versus the older three boys, who were between the ages of 8 and 5. Mostly it was nonsensical and hilarious; I would make grand, impractical plans to lay some sort of elaborate trap for them, and they would shriek with laughter and tell me all the ways they would avoid my trap and "win." It was an imaginary adventure game, overflowing with silliness and pretend play.

Yesterday, one of the kids said over breakfast, "Mama, remember the Animals game? We haven't played that in a long time!"

"Aww! Yes, that's true! Do you guys want to play?" I said. 

They did, smiling fondly at the memory of our old game. 

As we sat around the breakfast table and they fed themselves (I no longer help feed Khalid), we started our game. 

"I'm obviously a lynx," I said with a straight face, mispronouncing the word as usual. "Who do you want to be?"

This time, years later, it was different. 

No longer was each child just picking his favorite animal purely based on feelings. 

To my surprise and amazement, the kids started naming various little-known (to me, at least!) animals and listing various obscure facts about each one. 

"I think I'll be the giant Pacific octopus," one boy said. "It has three hearts and nine brains. It's very smart. It also has very good grip strength: the suction cups on its arms can hold up things as heavy as 35 pounds!" 

"Really?" I said, impressed and very confused. "How do you know?"

"I read it in a book," my 11-year-old son said breezily. 

I was shocked. 

"I am going to be a saltwater crocodile," another boy announced. "They have the strongest bite of any land animal. The only animal with a higher bite strength is the great white shark, but we aren't picking ocean animals. So I'm sticking with the saltwater crocodile. They have a bite strength of almost 4,000 psi."

"What does psi stand for?" I asked my 9-year-old son, my surprise written all over my face. 

"Psi stands for "pound-force per square inch." It's how bite strength is measured," he replied calmly. 

I had not known that.

As the boys continued their animated discussion of animals and their characteristics, I sat back in my chair, quietly watching them and internally marveling at their growth and maturity. 

Time is an odd thing. 

What a difference just a few years make! SubhanaAllah. 

We never did play our little pretend game yesterday morning. 

Instead of the old childish antics and make-believe pretend play, now there was mature discussion. Instead of the crazy boyish shenanigans, now there were actual factual details about the topic at hand. Instead of picking generic animals based on their well-known stereotypical traits that most little kids love, now there was a careful selection process of each specific animal based on knowledge gained from long hours of reading books. 

I felt both happy and sad at the same time. 

Wistful. Nostalgic. 

It's a bittersweet feeling, watching your children grow up. 

Mamas of young children, there is light at the end of the tunnel. 

You may feel, in the moment, as you change endless diapers and soothe uncountable tantrums and wash many chubby little hands at the sink, that this tiring work will never end. You are, understandably and justifiedly, exhausted and headache-y and sleep-deprived. 

But inshaAllah soon, over the span of just a few years, you will look up and realize that your babies are no longer babies-- they are now more independent, more mature, more rational. They are still kids of course, but they are no longer the chubby-cheeked dimple-knuckled wispy-haired little toddlers they had once been. Over the past few years while you had been faithfully standing there but when you were not looking, they have grown taller, thinner, lost their baby fat, and gained a whole lot of sense and learned a lot of knowledge. 

And you will gaze at them in wonder, your eyes shining with tears of maternal pride and gratitude to Allah. 

Alhamdulillah for motherhood.


- Umm Khalid 

Tuesday, October 3, 2023

বাচ্চাদের বিয়ে ভাবনা

চার বাচ্চা একসাথে খেতে বসেছে। বয়স যথাক্রমে চার, পাঁচ, ছয় এবং সাত। ওদের সাথে নানান প্রসঙ্গে আলোচনা করতে করতে একসময় এলো বিয়ের কথা। 
 
 
যায়নাব বলল, উমার আর উসমান বড় হলে শুধু বাবা আর বাবা হবে। আমি আর মুসআব বড় হলে মা আর বাবা হতে পারব৷ 
 
 
আমি বললাম, এভাবে তো মা-বাবা হওয়া যায় না। বড় হলে তোমরা সবাই মা-বাবা হতে পারবে৷ যখন উমার বড় হবে, তখন ও বাবা হবে৷ আর ও যেই মেয়েটাকে বিয়ে করবে, সেই মেয়েটা ওদের বেবিদের মা হবে। আবার যখন তোমার বড় হয়ে বিয়ে হবে, তখন তুমি মা হবে, আর তুমি যাকে বিয়ে করবে সেই ছেলেটা বাবা হবে৷ 
 
 
ওরা বুঝতে পেরেছে নাকি জানার জন্য প্রশ্ন করলাম, আচ্ছা বলো তো, আমার সাথে কার বিয়ে হয়েছে?
 
 
সবার উত্তর -- জিম বাবার।
 
 
যায়নাব এবার সেই প্রশ্নটা করল, যেটা আমরা বাচ্চাদের মুখে প্রায় সবাই শুনেছি। ছোটবেলায় বাচ্চারা তাদের প্রিয় মানুষকে বিয়ে করতে চায়। তাই যায়নাবও তার বেস্ট ফ্রেন্ড উমারের কথা জিজ্ঞেস করল। লাল্লামণি, আমি কি বড় হয়ে উমারকে বিয়ে করতে পারব? 
 
 
উমারও কিছুদিন আগে আমাকে একই প্রশ্ন করেছিল, আর আমি তখন ওকে ভাইবোন ও দুধ-ভাইবোনের ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলেছি। তাই বোনের প্রশ্ন শুনেই উমার বিজ্ঞের মতো দুইপাশে মাথা নেড়ে দ্রুত গতিতে বলল, না, না! করা যাবে না। 
 
 
এরপর আমি যায়নাবকেও বুঝিয়ে বললাম, কেন উমারকে বিয়ে করা যাবে না। ও বুঝতে পারল উমারকে বিয়ে করা যাবে না, যেহেতু তারা দুজনেই দুধ ভাইবোন। তখন জানতে চাইল, তাহলে কি আমার অন্য বেস্ট ফ্রেন্ড, খাদিজাকে বিয়ে করা যাবে? 
 
 
ওর কথা শুনে না হেসে পারলাম না, বললাম, মেয়ে আর মেয়ে কক্ষণো বিয়ে করা যায় না। তেমন ছেলে আর ছেলেও কখনোই বিয়ে করা যায় না। 
 
 
কেন? ওদের সবারই প্রশ্ন। 
 
 
বললাম, কারণ, মেয়ে আর মেয়ে যদি বিয়ে করে তাহলে দুইজনেই মাম্মা হয়ে যাবে। তখন ওদের বেবিরা বলবে, আমাদের বাবা কই? 
 
 
তখন আরেকজন বলল, হ্যাঁ, আর যদি দুইজন ছেলে বিয়ে করে তাহলে ওরা বলবে মাম্মা কই? 
 
 
আমি বললাম, হ্যাঁ। এজন্যই আল্লাহ ওনলি ছেলে আর মেয়ে বিয়ে করাই এলাউড করেছে। মেয়ে-মেয়ে বিয়ে করা হারাম। আর ছেলে-ছেলে বিয়ে করাও হারাম। 
 
 
এই কথা শুনে যায়নাব একটু চিন্তায় পড়ে গেল। ওর কোনো বেস্ট ফ্রেন্ডকেই বিয়ে করা যাচ্ছে না। এখন কী হবে! আমি ওর দুখী চেহারা দেখে বললাম, চিন্তা কোরো না। হয়তো তুমি বড় হয়ে উমার ভাইয়ার কোনো ফ্রেন্ডকে বিয়ে করতে পারবা, যদি সে একটা গুড ম্যান হয়। আবার উমার বড় হয়ে তোমার কোনো ফ্রেন্ডকে বিয়ে করতে পারবে৷ আমার কথা শুনে ও কিছুটা চিন্তামুক্ত হল। 
 
 
এবার ওদের মাথায় আরেক প্রশ্ন আসল, আচ্ছা, স্ট্রেঞ্জারকে কি বিয়ে করা যায়? 
 
 
আমি বললাম, হ্যাঁ যায় তো। স্ট্রেঞ্জারকেও বিয়ে করা যায়। কিন্তু ফার্স্টে জেনে নিতে হয় সে গুড মুসলিম কিনা। 
 
 
জিমবাবা কি স্ট্রেঞ্জার ছিল? 
 
 
বললাম, হ্যাঁ বাবাও আগে স্ট্রেঞ্জার ছিল। এরপর আরও কিছু ব্যক্তিগত প্রশ্নোত্তর চলল৷ 
 
 
আলোচনার মোড় ঘোরানোর জন্য বললাম, আচ্ছা বলো তো, কা-ফে-র-দেরকে কি বিয়ে করা যাবে?
 
 
ওরা বললো, না, কা-ফে-র বিয়ে করা যাবে না।
 
 
অমুসলিমদের যে বিয়ে করা যাবে না, এটা কিন্তু আমি শেখাই নি। তাই অবাক হওয়ার ভান করে বললাম, কেন, কা-ফে-র-কে কেন বিয়ে করা যাবে না? কা-ফে-র-দের বিয়ে করলে কী প্রবলেম বলো তো?
 
 
তখন যায়নাব বলল, কারণ কা-ফে-র হলে ওরা বলবে এখন প্রে করা যাবে না, মূর্তিপূজা করতে হবে। তখন আমাদেরকেও ওটাই করতে হবে। 
 
 
আমি বললাম, হুম। সেটা তো করা যাবে না। খুব ভালো বলেছ।
 
 
মুসআব আবার মাঝখান থেকে জানতে চাইল, কা-ফে-র মানে কী? বুঝিয়ে বললাম কারা কাফের। 
 
 
এরপর প্রশ্ন করলাম, যদি একজন আল্লাহর কাছে নামাজ পড়ে, আর একজন মূর্তিপূজা করে তাহলে তো ওদের বেবিরা কনফিউজড হয়ে যাবে, তাইনা? 
 
  
ওরা বিজ্ঞের মতো মাথা নাড়াল। উমার আগ্রহ পেয়ে বলল, আর কাফেরকে বিয়ে করলে একজন বলবে কুরআন পড়া যাবে না। আর একজন বলবে কুরআন পড়া যাবে। তখন ওদের ভেতর ফাইটিং হবে। 
 
 
বললাম, সেটাই তো। একদম ঠিক বলেছ। 
 
 
এভাবেই নানা কথোপকথনের মধ্য দিয়ে ওদের খাওয়াদাওয়া পর্ব শেষ হয়। আমি মনে মনে ভাবি, এই ছোট বাচ্চারা যা বুঝে আজকাল অনেক বড়রাই তা বোঝে না। আল্লাহ যদি আমাদের সবার বুঝ অন্তত ছোটদের মতো সোজাসাপ্টা, নির্মল আর পবিত্র বানিয়ে দিত, তাহলে কতই না ভালো হতো! আল্লাহুম্মা বারিকলাহুম।

- আনিকা তুবা