Friday, February 3, 2012

আর একটা সূর্যোদয়......[ Collection of Love Stories -19 ]




ভালবাসার সফল পরিণতি সবাই চায় । যদি দুজন দুজনকে নিয়ে সুখী হতে পারে,ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখতে পারে তাহলে বাবা মায়ের কি সমস্যা বুঝে উঠতে পারেনা সঞ্চিতা। সমপরিমাণ রাগ আর আবেগ নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটছে আর ভাবছে সঞ্চিতা । ধুর সব প্ল্যানই ভেস্তে দিল সে । ঠিকই বলেছিল তনয় । এখনি বাড়িতে জানানোর দরকার নেই।তনয়ের আগে একটা জব হোক, সঞ্চিতাকে নিয়ে তখনি সে তার বাবা মায়ের সামনে গিয়ে দাঁড়াবে । সঞ্চিতার বাড়িতে কোন সমস্যা না , ওর বড়আপু ওকে বিয়ে দিতে পারলেই বাঁচে । তারইবা দোষ কিসের । নিজের সংসারই এখনো গুছিয়ে উঠতে পারেনি বেচারি । কিন্তুনা সঞ্চিতার জেদাজেদির জন্য এখন দুজনের প্রকাশ্যদিবালোকে দেখা করাই দায় হয়ে পড়বে । মনটা ভয়ানক খারাপ হয়ে গেল সঞ্চিতার ।

ঘটনার শুরু -

সঞ্চিতা যখন তনয়ের ছোট বোনের টিউটর হয়ে ওদের বাসায় যায় তনয় তখন ঢাকার একটি পরিচিত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ফাইনাল ইয়ার এর ছাত্র । ওদের বাড়িতে ঢুকে সঞ্চিতা কোনদিন তনয়কে দেখতনা । শুধু চলে আসার সময় মাঝেমাঝে দুজনের ঢোকার পথে দেখা হত। তনয়ের মা সঞ্চিতাকে যথেষ্ট আদর করেন, বোধহয় ওর বাবা-মা নেই বলে । ঢাকাতে হোমিকোনমিক্স কলেজে তখন সবেমাত্র ফ্যাশান ডিজাইন এ ভর্তি হয়েছে সঞ্চিতা । বড়বোন আর দুলাভাই এর কাছে সঞ্চিতা একটা বার্ডেনই বলা যায় , তাই নিজের খরচ চালাতে ২,৩ টা টিউশনি করতে হয় ওর । এতে নিজের খরচ ভালভাবেই চলে যায় । প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তে পড়া তনয় তার ছোট বোনের নতুন শিক্ষিকাটিকে কয়েকদিন ভালই জরিপ করেছিল । আর সব ছেলেরা প্রথম দেখাতে মেয়েদের নিয়ে যেমন করে আরকি । আপাত দৃষ্টিতে মেয়েটিকে তনয়ের সাধারণ কিন্তু জটিল মনে হয়েছিল । কিন্তু ভাব দেখাত সেযেন সঞ্চিতার অস্তিত্ব সম্পর্কে উদাসীন । দিনের পর দিন মেয়েটিকে দেখে কথা বলতে ইচ্ছা করত ঠিকই কিন্তু শেষবেলায় আর বলা হয়ে উঠতোনা । এভাবে ভার্সিটির শেষ বছরটি শুধু দেখাদেখি দিয়ে পার হয়ে গেল । সঞ্চিতাও ততদিন প্রথম বর্ষের পাঠ চুকিয়েছে । একসময় সেই ইচ্ছা পুরনের সম্ভাবনা এল । তনয় ওদের কলেজে গিয়েছিল মাস্টার্স এর রিসার্চওয়ার্ক এর জন্য সঞ্চিতার কলেজের এক প্রফেসরের সাথে দেখা করতে । সামনাসামনি দুজন পরিচিত মানুষ ভিন্ন পরিবেশে এভাবে দেখা হবে সেটা দুজনের কেউই হয়ত আশা করেনি । যাইহোক সঞ্চিতার সাহায্য নিয়ে তনয় তার কাজ সম্পূর্ণ করে চলে আসে বাসায় । কিন্তু সঞ্চিতার মুখে দুশ্চিন্তার আভাটুকু তাকে ক্রমেই ভাবিয়ে তোলে । অনেক চিন্তাভাবনার পর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে তনয় মেয়েটির সাথে ও কথা বলবে, আর যদি পারে ওর সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবে । তনয় জানতো সঞ্চিতার পারিবারিক অবস্থার কথা । হয়ত সেসবই সাংসারিক জটিলতার ব্যাপার । পরেরদিন ঠিক আগের সময়েই তনয় হাজির হয় সঞ্চিতার ডিপার্টমেন্টের সামনে । কেন জানেনা সঞ্চিতা অইদিন অনেক কথাই বলে ফেলে তনয়কে । হয়ত মনের চাপা কষ্টগুলো কাউকে বলে হাল্কা হওয়ার অপেক্ষায় ছিল ও । কিন্ত তারপর আর একটা মুহূর্ত ও ও থাকেনি ক্যাম্পাসে । ভদ্রতা রক্ষামূলক বিদায় নিয়ে চলে এসেছে । অবাক তনয় ভেবে পায়না কত বড় মনের জোর মেয়েটির । কিন্তু নিজের কোন বন্ধুকে নাবলে ওকে এসব বলল কেন ? জবাব মেলেনা । হয়ত সঞ্চিতাও জানেনা কেন বলে গেল তনয়কে ।
এভাবে প্রায়ই তনয় কাজের বাহানায় যেত আর সময়গুলো সঞ্চিতার সাথে কোথা দিয়ে যে পার হয়ে যেত টের পেতনা । সবই চলছিল নিয়মমতো । মাঝখান দিয়ে দুজন দুজনের অজান্তেই বাধা পড়ছিল ভাললাগার বাঁধনে । রিসার্চ যেদিন শেষ তনয়ের হুশ হোল এরপর এই সময়গুলোতে সঞ্চিতা থাকবেনা তার পাশে । চাইলেই সে পারে সেটাও নিশ্চিত করতে কিন্তু ভয় হয় হারাবার । এখন যদি নাও বলে তাতেও সমস্যার সমাধান হবেনা । সুতরাং বলেই দেখা যাক , মেনেওতো নিতে পারে ।

না মানার কোন কারণ ছিলনা সঞ্চিতার । ততদিনে সেওতো বুঝে গিয়েছে তনয়ের তার সাথে এত সময় কাটানোর অর্থ , সব বুঝেও তার নিজের নীরব সমর্থনের রহস্য । আর সবচেয়ে বড় কথা লোকে যেমন বলে মানুষ তাকেই সব আড়াল থেকে দূরে রাখে যার কাছে নিজের আড়াল বিসর্জন দেওয়া যায় । ও কাজতো কবেই করে ফেলেছে সঞ্চিতা । যেদিন যে কথা একান্ত কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে বলা যায়না সেকথা সে তনয়কে বলে ফেলেছিল কিছুনা ভেবেই ।
এরপরের কটাদিন চোখের সামনে দিয়ে উড়ে গেল । তনয়ের রিসার্চ শেষ এখন শুধু result এর অপেক্ষা । এরই মধ্যে সঞ্চিতা গো ধরল সে তার হবু শাশুড়ির আশীর্বাদ নেবে । তনয় অনেক চেষ্টা করেছে বোঝানর কিন্তু মাহারা সঞ্চিতা imotional blackmail করেছে তনয়কে । বলেছে এমনিতেই সঞ্চিতাকে অনেক আদর করেন তনয়ের মা । এসব জানলে তিনি মানা করবেন না । তনয় ও ভেবেছে হতেও তো পারে । মা তো আসলেই সঞ্চিতাকে অনেক আদর করেন । কিন্তু সঞ্চিতা বোঝেনি বাস্তবতা অত সহজনা । সব সম্পর্ক আবেগ দিয়ে হয়না । তাইত আজ যখন তন্বীকে পড়ানোর পর সে আর তনয় তার মায়ের সামনে গিয়ে দাঁড়াল ছেলেকে ডেকে নিয়ে সেই যে গেলেন মহিলা আর এলেননা । অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর বুঝল সঞ্চিতা সে বোধহয় তার উত্তর পেয়ে গেছে ।

রাস্তা দিয়ে আনমনে হাঁটছে সঞ্চিতা , আর ভাবছে ওর মা ও কি এমনটাই করত , কেন করবে ? তনয়ের কোন যোগ্যতা টা নেই । নিজের কথা ভাবল সঞ্চিতা । তার কোন যোগ্যতা নেই ? তাহলে কি বাবা-মাহীন মেয়ে বলেই তনয়ের মা রাজিনা ! সঞ্চিতার বাবা-মা মারা গেছে এতে তার কি অপরাধ । তনয় যে বলেছিল জব পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। ও জব পেলে কি মেনে নিতেন উনি । সেলফোন টা বেজে উঠল পরিচিত সুরে । হ্যাঁ তনয়ই ।

তনয়ঃ যতদূর গিয়েছ ওখানেই থাক আসছি ।

খুট করে কেটে দিল তনয় । ভাবছে সঞ্চিতা ওর বোধহয় তনয়দের বাসায় যাওয়া বন্ধ হোল । কি ভেবেছিল আর কি হোল । তবুও হাঁটছে সঞ্চিতা । কিছুক্ষণ পর একটা রিকশা থেকে নামলো তনয় । অপেক্ষা করছিল সঞ্চিতা তনয়ের বকুনি শোনার । ওকে অবাক করে দিয়ে বলে ওঠে ও বাসায় যাবে নাকি ১ ঘণ্টা সময় হবে । নীরবে মাথা দোলায় সঞ্চিতা । পাশাপাশি রিকশাতে বসে প্রথম তনয়ই কথা বলে

তনয়ঃ result এর আগেই আমি apply করব ।

সঞ্চিতা চুপ ..
তনয়ঃ মা আমাকে বকে নাই।
সঞ্চিতা তবুও চুপ ..
তনয়ঃ শোন সঞ্চিতা আজ যা হয়েছে ভুলে যাও । I will manage .
সঞ্চিতা তাকায় তনয়ের চোখে । স্পষ্ট বুঝতে পারে ওকে মিছে সান্ত্বনা দিচ্ছে ও । ও পারবেনা manage করতে । সেই ধৈর্য নেই তনয়ের । শেষমেশ হয়ত ওদের আলাদা ই সংসার পাততে হবে । কিন্তু সঞ্চিতা চায়না ওর জন্য তনয় ঘরছাড়া হোক , আবার ও নিজেও ওকে ছাড়তে পারবেনা । আবার সেই রাগটা এল ফিরে । বাবা-মা কেন বোঝেনা সন্তানদের । ওরা যদি নিজেদের সাথে সুখী হতে পারে ক্ষতিটা কোথায় । হয় ওদের বাবা-মা বোঝেনা অথবা ওরাই বাবা-মাকে বোঝেনা ।

ওকে বাসায় নামিয়ে তনয় চলে যায় নিজের পথে । কাল হয়ত বোঝাপড়া হবে নিজেদের । রাতে শুয়ে এর ভাবতে পারেনা সঞ্চিতা । সকাল টা কি নিয়ে আসছে কে জানে ।
সকালে তনয় ওকে নিয়ে যায় এক বন্ধুর বাসায় । ওখানে আরও অনেক বন্ধু,বান্ধবি আছে তনয়ের । বুঝতে পারেনা সঞ্চিতা কি ঘটতে যাচ্ছে । সবাইমিলে বোঝায় সঞ্চিতাকে এসব নিয়ে মন খারাপ না করতে । আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে সব ।তনয়ের একটা চাকরি হোক তখন সবাইমিলে ওর মাকে বোঝাবে । বুঝতে পারে সঞ্চিতা তনয় ওকে cheer up করতে নিজের বন্ধু-বান্ধবিদের ডেকে এনেছে । আর নিজে এক কোনায় অপরাধীর মত বসে আছে যেন সব দোষ ওর । চোখে জল ভরে ওঠে সঞ্চিতার । বুঝতে পারে তার জন্য ভাবার একজন মানুষ আছে যে তার কষ্টে কষ্ট পাচ্ছে । এতক্ষণ ও ভেবেছিল এই কষ্টগুলো শুধুই ওর নিজের । ভুলেই গিয়েছিল এখনতো আর ও একা নয় , এই কষ্টের আরও একজন ভাগীদার আছে । তাই যা করবে দুজন মিলেই করবে । আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে সঞ্চিতার । আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হতে থাকে ও , দূর থেকে শেষ দীর্ঘনিঃশ্বাসটা ফেলে তনয় । সব ঠিক হয়ে যাবে একদিন , নিশ্চয়ই হবে , হতেই হবে । একটা সূর্যোদয় নিশ্চয়ই হবে ওদের দুজনের যেদিন ওরা মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে , সবার শুভকামনায় একসাথে দেখবে দিনের প্রথম আলো । সামনে এগিয়ে যায় তনয় যেখানে সঞ্চিতা বসে আছে ওর অপেক্ষায় ।


লিখেছেন-উদাসী মেয়ে

গল্পটি নেয়া :     https://www.facebook.com/abegmoy.valobasha/posts/240882372658586


Saturday, January 21, 2012

চিঠি Letter [ Collection of Love Stories -18 ]



এই চিঠি লেখার আসল উদ্দেশ্য তোমাকে কতটুকু ভালোবাসি সেইটা জানানো নয় ।

সেইটা তোমাকে বোঝানো সম্ভবও নয় । আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে তোমাকে ধন্যবাদ 

জানানো । তুমি আমাকে অনেক কিছু দেখিয়েছ, শিখিয়েছ ।


আমি জানতাম কিভাবে নিজেকে Control করতে হয় । নিজের উপর এই 

Controlling Power নিয়ে আমার খুব গর্ব ছিল । আমি জানতাম কিভাবে নিজের 

ভালোলাগা মন্দলাগা Control করতে হয় । তুমি আমার সেই জিনিস টা নষ্ট করে 

দিয়েছ । দেখিয়ে দিয়েছ শুধু আমি না, তুমিও আমাকে Control করতে পার । আমার

 চিন্তা জুড়ে সবসময় তুমি থেকে দেখিয়ে দিয়েছ আমার Mind Control করার ক্ষমতা     

তোমারও আছে । ধন্যবাদ তোমায় আমার Lackings টা দেখিয়ে দেয়ার জন্য...



আমি জানতাম না অপেক্ষা কি জিনিস । তুমি আমাকে শিখিয়েছ অপেক্ষা কাকে বলে

 । তুমি হয়ত ইচ্ছা করে শিখাও নাই । কিন্তু প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত 

campus এ তোমাকে দেখার জন্য অপেক্ষা করতে করতে আমি শিখে গেছি অপেক্ষা 

কি । ধন্যবাদ তোমায় ।



আমি বুঝতাম না কেমন করে কারো কথা চিন্তা করে রাত জাগতে হয় । অনেক রাত 

জেগেছি আড্ডা মেরে, মুভি দেখে, মাঝে মাঝে পড়াশুনা করে । কিন্তু কখনো কারো 

কথা চিন্তা করে রাত পার করে দেইনি । এখন যখন সারারাত ধরে তোমার কথা ভাবি 

তখন বুঝতে পারি কিভাবে সবাই ভালবাসার কথা চিন্তা করে রাত পার করে । 

ধন্যবাদ তোমায়...




আমি কখনো কষ্ট পেয়ে কাঁদতে শিখিনি , কাউকে কষ্ট দিয়ে কাঁদাতেও শিখিনি । 

আমার অনেক বন্ধু কে দেখেছি প্রেমিকার বিরহে কাঁদতে... আমি তাদের দেখে 

আফসোস করে বলতাম, "Shame on you dosto... একটা মেয়েকে নিয়ে এত 

কান্নাকাটি করার কি আছে??" আমার বন্ধুরা তখন বলত "নিজে যখন প্রেমে পড়বি 

তখন বুঝবি ।" আমি হাসতাম...


তুমি আমাকে শিখিয়েছ কিভাবে কষ্ট পেলে কাঁদতে হয় । ধন্যবাদ তোমায় ।




অনেক কাছের বন্ধুকে দেখেছি প্রেমে প্রতারিত হয়ে নিজের জীবন শেষ করে ফেলতে

 । আমি এই জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম যে আমি শুধু মাত্র তাকেই ভালবাসব যে 

আমাকে ভালবাসবে । হয়ত এই জন্যই কোন মেয়েই আমার জীবনে আসে নাই 

এখনও । তুমি আমার সেই প্রতিজ্ঞা ভেঙ্গে দিয়েছ । জানি না আমি কেন তোমাকে 

ভাল বাসলাম । সত্যি বলতেছি অনেক চেষ্টা করেছি তোমাকে ভুলে যাওয়ার । কিন্তু 

পারিনি... তুমি যখন Canteen , shade , lake arena তে বসে তোমার বন্ধুদের 

সাথে গল্প কর আমি দূর থেকে তোমায় দেখি । তুমি যখন কথা বল তখন তোমার 

মুখের প্রতিটি Expression আমার মনে দাগ কেটে যায় । তুমি হাসলে তোমার 

ঠোঁটের কোনায় ছোট্ট একটা টোল পড়ে, চোখের নিচে হালকা একটা স্তর পড়ে 

, চিবুক টা সরু হয়ে যায় । এইসব ছোট ছোট জিনিসগুলো আমার ভিতর ঝড় সৃষ্টি 

করে... তোমার যত বন্ধুর সাথে কথা বলেছি তার মধ্যে একজন বাদে সবাই বলেছে 

"ওর তো অনেক problem. She is a Psycho". আমার বন্ধুরা প্রতিবার আমার দিকে 

তাকিয়ে জিজ্ঞেস করেছে "এখন কি করবি?" আমি আস্তে একটা হাসি দিয়ে বলেছি "

Love Psycho... " আমার অবস্থা দেখে সবাই বলতো " কি আছে ওই মেয়ের মধ্যে

বাদ দে । You deserve better." Blah blah … আমি হেসে বন্ধুদের বলতাম “You 

never can find out her like me." ...তারা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতো " তুই 

শেষ ।" আমি আসলেই মনে হয় শেষ ।


আমাকে শেষ করে দিয়ে হলেও তুমি শিখিয়েছ কিভাবে ভালবাসতে হয় । অনেক 

অনেক ধন্যবাদ তোমায়...



জীবনে যে কখনো কাউকে পছন্দ করি নাই তা না, করেছি । কিন্তু প্রথম ভালবাসার 

বলতে গেলে তুমি আমার সেই প্রথম ভালবাসা । তোমাকে কাছে পাব এই বিশ্বাসে 

অশ্রুস্নাত চোখ নিয়ে অপেক্ষায় আছি । আমি জানি আমার ভালবাসা সত্যি এবং আমি 

ইনশাআল্লাহ তোমাকে পাব ।

ভাল থেকো।




----নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


গল্পটি নেয়া :      https://www.facebook.com/abegmoy.valobasha